শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

নীরব সমর্থকরা ঘুরিয়ে দিতে পারে ভোটের মোড়,ভয় আওয়ামী লীগের

প্রতিনিধির / ১১৯ বার
আপডেট : সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২২
নীরব সমর্থকরা ঘুরিয়ে দিতে পারে ভোটের মোড়,ভয় আওয়ামী লীগের
নীরব সমর্থকরা ঘুরিয়ে দিতে পারে ভোটের মোড়,ভয় আওয়ামী লীগের

বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণবাগ বাজারে কথা হয় স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে। তারা বলছেন, এই এলাকায় মানুষ অধিকাংশই দিনমজুর, কিছু ব্যবসায়ী ও প্রবাসীও আছেন। মানুষের সুখে-দুঃখে রাজনৈতিক নেতাদের সেভাবে পাওয়া যায় না। বরং বিপদে পড়ে তাদের কাছে গেলে সুযোগ নেয়। উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি করে।

বানভাসি মানুষকে জনপ্রতিনিধিরা পর্যাপ্ত সহযোগিতা করেছেন কি না- জানতে চাইলে সুমন আহমেদ নামে এক চা দোকানি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে চাহিদামতো ত্রাণ দেওয়া হয়নি। বরং ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে বেসরকারিভাবে বেশি ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।

হবিগঞ্জ মানেই আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। প্রায় সব আসনেই দলটির আধিপত্য। চা শ্রমিকরা সেখানকার ভোটের অন্যতম ফ্যাক্টর। পাশের জেলা মৌলভীবাজার। এ জেলার আসনগুলোতেও আছে চা শ্রমিকের আধিক্য। তবে আওয়ামী লীগের অবস্থান একচেটিয়া নয়। বিএনপির আছে বড় ভোটব্যাংক। জাতীয় পার্টিরও ভোট ছিল কিছু আসনে। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা এখন অনেকটাই নীরব। তবে সুযোগ পেলে এই ‘নীরব’ সমর্থকরাই ঘুরিয়ে দিতে পারে ভোটের মোড়।

জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের ২৩৫ নম্বর আসন মৌলভীবাজার-১ ঘুরে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র মিলেছে। ভোটারদের সঙ্গে কথা হয়েছে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে। গেলো নির্বাচনের পর নেতাদের এলাকায় সম্পৃক্ততা, সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি নেতাদের সহানুভূতি প্রভৃতি বিষয় উঠে এসেছে আলোচনায়।

হবিগঞ্জ মানেই আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। প্রায় সব আসনেই দলটির আধিপত্য। চা শ্রমিকরা সেখানকার ভোটের অন্যতম ফ্যাক্টর। পাশের জেলা মৌলভীবাজার। এ জেলার আসনগুলোতেও আছে চা শ্রমিকের আধিক্য। তবে আওয়ামী লীগের অবস্থান একচেটিয়া নয়। বিএনপির আছে বড় ভোটব্যাংক। জাতীয় পার্টিরও ভোট ছিল কিছু আসনে। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা এখন অনেকটাই নীরব। তবে সুযোগ পেলে এই ‘নীরব’ সমর্থকরাই ঘুরিয়ে দিতে পারে ভোটের মোড়।

জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের ২৩৫ নম্বর আসন মৌলভীবাজার-১ ঘুরে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র মিলেছে। ভোটারদের সঙ্গে কথা হয়েছে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে। গেলো নির্বাচনের পর নেতাদের এলাকায় সম্পৃক্ততা, সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি নেতাদের সহানুভূতি প্রভৃতি বিষয় উঠে এসেছে আলোচনায়।

জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক হুমায়ুন রশিদ রাজী বলেন, আমাদের উপজেলায় আওয়ামী লীগের অবস্থান ভালো। বড়লেখায় বিএনপির ভোট বেশি। এতদিন বিএনপির তেমন দেখা না মিললেও সম্প্রতি তারা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, মৌলভীবাজার-১ আসনে (বড়লেখা এবং জুড়ী উপজেলা) মোট ভোটার ২ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৯। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৩৬ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩ জন।

ভোটের বিশ্লেষণে দেখা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৮) আওয়ামী লীগের মো. শাহাব উদ্দিন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাসির উদ্দিন মিঠু পান ৬৫ হাজার ৮৫৩ ভোট।দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৪) আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন ১ লাখ ৪ হাজার ২০ ভোট পান। জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজউদ্দিন পান ৯ হাজার ৬৪৯ ভোট।

৯ম সংসদ নির্বাচনে (২০০৮) আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন ১ লাখ ৬ হাজার ৫৭০ এবং বিএনপির এবাদুর রহমান চৌধুরী ৬৯ হাজার ৬১৯ ভোট পান।৮ম সংসদ নির্বাচন (২০০১) বিএনপির এবাদুর রহমান চৌধুরী ৪৯ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন পান ৪৭ হাজার ৫৩৯ ভোট।

৭ম সংসদ নির্বাচন (১৯৯৬) আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন ৩৩ হাজার ১৭৯ ও বিএনপির এবাদুর রহমান চৌধুরী পান ২০ হাজার ৪৭ ভোট।৫ম সংসদ নির্বাচন (১৯৯১) জাতীয় পার্টির হয়ে এবাদুর রহমান চৌধুরী লাঙল প্রতীকে ২৭ হাজার ৯০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের ইমান উদ্দিন আহমেদ পান ২৭ হাজার ৫৫৮ ভোট।

এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবস্থান প্রায় কাছাকাছি। সুষ্ঠু ভোট হলে বেশ লড়াই হয়। তবে ফ্যাক্টর চা বাগানে শ্রমিকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: